পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, ঝিনাইদহের বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম আজ শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আলামিনের বাড়িতে ঢুকে পড়েন। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। পরে আসাদুল পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।
পুলিশ বলছে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আসাদুল পলাতক। তাঁকে ধরতে অভিযান চলছে।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ এম শাহীন প্রথম আলোকে বলেন, আলামিন ও তাঁর স্ত্রী দুজনেরই বাবার বাড়ি দিঘলিয়া উপজেলায়। ঝিনাইদহের বাসিন্দা আসাদুল ওই নারীর প্রথম স্বামী। আলামিনের সঙ্গে ওই নারীর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আসাদুলের আগে থেকেই সন্দেহ ছিল। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ হতো। একপর্যায়ে আসাদুলকে তালাক দিয়ে ওই নারী আলামিনকে বিয়ে করেন। এ নিয়ে আসাদুলের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, সেই রাগ থেকেই তিনি হত্যাকাণ্ড
দৈনিক জাহান